পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যর মহিলাদের জন্য একটি বড় ঘোষণা করেছে। রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার তাদের দ্বিতীয় ক্যাবিনেট বৈঠকে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এই ক্যাবিনেট বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সরকার রাজ্যে “অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিম” (Annapurna Bhandar Scheme) চালু করার অনুমোদন দিয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে পুরো রাজ্যে এই প্রকল্প কার্যকর হবে।

এই নতুন প্রকল্পটির মাধ্যমে রাজ্য সরকার মূলত আগের “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার” প্রকল্পটিকে প্রতিস্থাপন করছে। আগের প্রকল্পে সাধারণ বিভাগের মহিলারা ১,৫০০ টাকা এবং তপশিলি জাতি ও উপজাতি (SC/ST) বিভাগের মহিলারা ১,৭০০ টাকা পেতেন। এখন নতুন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে সমস্ত ক্যাটাগরির মহিলারা সমানভাবে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে পাবেন। এটি মহিলাদের অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের মূল হাইলাইটস (Key Highlights)
| বিষয়ের বিবরণ | বিস্তারিত তথ্য |
| প্রকল্পের নাম | অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিম (Annapurna Bhandar Scheme) |
| ঘোষণাকারী রাজ্য | পশ্চিমবঙ্গ সরকার |
| মুখ্যমন্ত্রী | শুভেন্দু অধিকারী |
| মাসিক আর্থিক সহায়তা | ৩,০০০ টাকা (প্রতি মাসে) |
| বার্ষিক মোট সুবিধা | ৩৬,০০০ টাকা (প্রতি বছর) |
| কার্যকর হওয়ার তারিখ | ১ জুন, ২০২৬ |
| আবেদনের মাধ্যম | অনলাইন এবং অফলাইন |
| টাকা পাওয়ার পদ্ধতি | সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে (DBT) |
| অতিরিক্ত সুবিধা | সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে যাত্রা |
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমের উদ্দেশ্য
পশ্চিমবঙ্গ সরকার মহিলাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করতে চায়। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো মহিলাদের আর্থিক স্বাধীনতা দেওয়া। প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা সরাসরি মহিলাদের নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যাবে। এই টাকা দিয়ে তারা নিজেদের দৈনন্দিন খরচ চালাতে পারবেন। তারা চিকিৎসার খরচ এবং সন্তানদের পড়াশোনার খরচ মেটাতে পারবেন। এর ফলে তাদের অন্য কারও ওপর নির্ভর করতে হবে না। এটি নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ।
কারা পাবেন মাসে ৩০০০ টাকা? (যোগ্যতার মাপকাঠি)
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদন করার জন্য সরকার কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা নির্ধারণ করেছে। আবেদনকারীকে অবশ্যই নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হবে:
১. স্থায়ী বাসিন্দা: আবেদনকারী মহিলাকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
২. বয়সের সীমা: আবেদনকারী মহিলার বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
৩. ভোটের তালিকায় নাম: মহিলার নাম অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় থাকতে হবে।
৪. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট: আবেদনকারীর একটি নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। এই ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই আধারের সাথে লিঙ্ক করা থাকা বাধ্যতামূলক।
৫. সিএএ (CAA) আবেদনকারী: সরকার একটি বিশেষ ঘোষণা করেছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ (CAA) এর অধীনে যারা নাগরিকত্বের আবেদন করেছেন, তারাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। যেসব মানুষের নাম ট্রাইব্যুনালের কারণে ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেছে, তারাও আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।
৬. আগের সুবিধাভোগী: যারা আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা পাচ্ছিলেন, তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই নতুন স্কিমে স্থানান্তরিত হবেন। তাদের নতুন করে আর কোনো চিন্তা করতে হবে না।
আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Documents Required)
আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার আগে নিচের নথিপত্রগুলো গুছিয়ে রাখুন। ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
- আধার কার্ড (Aadhaar Card)
- ভোটার আইডি কার্ড (Voter ID Card)
- পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দার শংসাপত্র (Residence Proof)
- ডিজিটাল রেশন কার্ড (Ration Card – BPL/AAY/PHH)
- ব্যাংক পাসবুকের প্রথম পাতার জেরক্স বা ক্যানসেল চেক (যেখানে IFSC কোড ও অ্যাকাউন্ট নম্বর স্পষ্ট থাকে)
- আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি
- মোবাইল নম্বর (যা আধার কার্ডের সাথে লিঙ্ক করা আছে)
- সিএএ (CAA) আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আবেদনের নথিপত্র বা ট্রাইব্যুনালের রসিদ
আবেদন করার সহজ পদ্ধতি (How to Apply)
সরকার ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে এই প্রকল্পের জন্য অফিসিয়াল পোর্টাল এবং আবেদন প্রক্রিয়া চালু করবে। আপনি অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই আবেদন করতে পারবেন।
অনলাইন আবেদন পদ্ধতি:
১. প্রথমে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অফিসিয়াল পোর্টালে (wb.gov.in) যান।
২. হোমপেজে “Apply for Annapurna Bhandar” লিঙ্কে ক্লিক করুন।
৩. আপনার সচল মোবাইল নম্বরটি লিখুন এবং ওটিপি (OTP) ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করুন।
৪. আপনার ডিজিটাল রেশন কার্ড এবং আধার নম্বর দিয়ে রেজিস্টার করুন।
৫. এবার আবেদন ফর্মে আপনার নাম, ঠিকানা এবং পারিবারিক সমস্ত তথ্য নির্ভুলভাবে লিখুন।
৬. আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর এবং আইএফএসসি (IFSC) কোড খুব সাবধানে টাইপ করুন।
৭. সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের স্ক্যান কপি আপলোড করুন।
৮. ফর্মটি ভালোভাবে মিলিয়ে নিয়ে সাবমিট (Submit) বাটনে ক্লিক করুন।
৯. স্ক্রিনে একটি অ্যাপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বর আসবে। এটি ভবিষ্যতের স্ট্যাটাস চেকের জন্য প্রিন্ট করে রাখুন।
অফলাইন আবেদন পদ্ধতি:
১. আপনি আপনার স্থানীয় ব্লক অফিস (BDO Office), মিউনিসিপালিটি অফিস বা সরকারি ক্যাম্প থেকে ফর্ম সংগ্রহ করতে পারেন।
২. ফর্মে সমস্ত ব্যক্তিগত ও ব্যাংকের বিবরণ স্পষ্ট অক্ষরে লিখুন।
৩. ফর্মের সাথে আপনার আধার, ভোটার কার্ড এবং ব্যাংক পাসবুকের জেরক্স কপি জুড়ে দিন।
৪. নির্দিষ্ট স্থানে আপনার পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগিয়ে দিন।
৫. সম্পূর্ণ ফর্মটি আপনার এলাকার নির্দিষ্ট সরকারি অফিসে বা ক্যাম্পে জমা দিন।
৬. জমা দেওয়ার পর অফিস থেকে অবশ্যই একটি স্বীকৃতি রসিদ (Acknowledgement Slip) সংগ্রহ করবেন।
কীভাবে আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করবেন? (Status Check)
আবেদন জমা দেওয়ার পর আপনার ফর্মটি অনুমোদিত হয়েছে কি না তা সহজেই চেক করতে পারবেন:
- অনলাইন মাধ্যম: অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে “Track Application” অপশনে ক্লিক করুন। আপনার অ্যাপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বর বা মোবাইল নম্বরটি দিন। আপনি আপনার স্ক্রিনে আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখতে পাবেন।
- অফলাইন মাধ্যম: আপনার নিকটবর্তী ব্লক অফিস বা মিউনিসিপালিটি অফিসে গিয়ে স্বীকৃতি রসিদটি দেখালে আধিকারিকরা আপনার স্ট্যাটাস জানিয়ে দেবেন।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্যাবিনেট সিদ্ধান্তসমূহ
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে এই ক্যাবিনেট বৈঠকে আরও কিছু বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে:
- বিনামূল্যে বাস যাত্রা: ১ জুন থেকে রাজ্যের মহিলারা সমস্ত সরকারি বাসে (State-run buses) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন।
- ধর্মভিত্তিক ভাতা বন্ধ: সরকার ধর্মীয়করণের ভিত্তিতে দেওয়া সমস্ত রকম সরকারি আর্থিক সাহায্য বা ভাতা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী মাস থেকে ইমাম, মোয়াজ্জিন এবং পুরোহিতদের দেওয়া মাসিক ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে।
- সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission): রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সরকার নতুন করে সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের অনুমোদন দিয়েছে।
- ওবিসি (OBC) তালিকা সংশোধন: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে বর্তমান ওবিসি তালিকা বাতিল করা হয়েছে। নতুন করে যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি প্যানেল তৈরি করবে সরকার।
হেল্পলাইন এবং যোগাযোগের মাধ্যম (Helpline Number)
প্রকল্প সংক্রান্ত যেকোনো জিজ্ঞাসা বা সমস্যার সমাধানের জন্য আপনি সরাসরি সরকারের দেওয়া হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন।
| যোগাযোগের মাধ্যম | বিবরণ ও নম্বর |
| অফিসিয়াল হেল্পলাইন নম্বর | ১৮০০-৩৪৫-৫৪৪৪ (সম্ভাব্য / বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আপডেট হবে) |
| ইমেল আইডি | support.annapurna@wb.gov.in |
| যোগাযোগের ঠিকানা | নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর, নবান্ন, হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ |
অফিসিয়াল রেফারেন্স ও তথ্যসূত্র (Official References)
এই আর্টিকেলের সমস্ত তথ্য ভারতের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবং সরকারি বিজ্ঞপ্তির ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে। নিচে মূল রেফারেন্সের তালিকা দেওয়া হলো:
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিম ২০২৬ সংক্রান্ত তথ্যের সত্যতা এবং অফিশিয়াল তথ্যের খোঁজের জন্য নিচে শুধুমাত্র সরকারি অফিশিয়াল পোর্টাল এবং বিভাগীয় রেফারেন্স টেবিলটি দেওয়া হলো:
সরকারি অফিশিয়াল রেফারেন্স টেবিল (Government Official References)
| সরকারি দপ্তর / পোর্টাল | উদ্দেশ্য ও প্রাসঙ্গিকতা | অফিশিয়াল ওয়েব লিঙ্ক (Official Link) |
| West Bengal State Portal | এটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মূল অফিশিয়াল ওয়েবসাইট। রাজ্যের সমস্ত নতুন প্রকল্পের বিজ্ঞপ্তি এবং সরাসরি লিংক এখানে প্রকাশ করা হয়। | wb.gov.in |
| Department of Women and Child Development and Social Welfare | এই বিভাগটি রাজ্যের মহিলাদের সামাজিক ও আর্থিক সুরক্ষা সংক্রান্ত স্কিমগুলো (যেমন আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এবং বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার) পরিচালনা করে। | wbcdwdsw.gov.in |
| Directorate of Transportation (WB) | অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমের আওতায় মহিলাদের সরকারি বাসে বিনামূল্যে যাতায়াতের সুবিধার অফিশিয়াল রুটিন ও নির্দেশিকা এই দপ্তরের মাধ্যমে জারি করা হয়। | wbtconline.in |
উপসংহার
পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের “অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিম ২০%;”>” একটি যুগান্তকারী সামাজিক প্রকল্প। এটি রাজ্যের কোটি কোটি মহিলার জীবনে আর্থিক সচ্ছলতা নিয়ে আসবে। প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা পাওয়ার ফলে গ্রামীণ ও শহরের দরিদ্র পরিবারগুলো অনেক বড় অবলম্বন পাবে। ১ জুন থেকে পোর্টাল চালু হলেই আপনারা নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। কোনো রকম জালিয়াতি বা দালালের খপ্পরে না পড়ে সরাসরি সরকারি ক্যাম্প বা অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের সাহায্য নিন। আপনার নথিপত্রগুলো এখনই প্রস্তুত রাখুন যাতে আবেদনের সময় কোনো সমস্যা না হয়।
এখানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিম ২০২৬ সংক্রান্ত সাধারণ কিছু প্রশ্ন এবং সেগুলির সরাসরি উত্তর দেওয়া হলো, যা আবেদনকারীদের মনে থাকা সমস্ত দ্বিধা দূর করতে সাহায্য করবে:
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিম ২০২৬: সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQs)
প্রশ্ন ১: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিম কী?
উত্তর: এটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি নতুন আর্থিক সহায়তা প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা (বছরে মোট ৩৬,০০০ টাকা) সরাসরি নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাবেন।
প্রশ্ন ২: এই প্রকল্প কবে থেকে চালু হবে?
উত্তর: ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে পুরো পশ্চিমবঙ্গে এই প্রকল্প অফিশিয়ালি কার্যকর হবে এবং ওই দিন থেকেই নতুন আবেদন নেওয়া শুরু হবে।
প্রশ্ন ৩: যারা আগে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্পের টাকা পেতেন, তাদের কি নতুন করে আবেদন করতে হবে?
উত্তর: না, যারা ইতিমধ্যেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছিলেন, তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে (Automatically) এই নতুন স্কিমে স্থানান্তরিত হয়ে যাবেন। ১ জুন থেকে তাদের অ্যাকাউন্টে ৩,০০০ টাকা করে আসা শুরু হবে।
প্রশ্ন ৪: সাধারণ (General) এবং SC/ST ক্যাটাগরির মহিলারা কি আলাদা টাকা পাবেন?
উত্তর: না। আগের প্রকল্পে টাকার পরিমাণে তফাত থাকলেও, নতুন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে জাতিগত কোনো বৈষম্য নেই। সাধারণ, ওবিসি, তপশিলি জাতি (SC) এবং তপশিলি উপজাতি (ST)—সব বিভাগের মহিলারা সমানভাবে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করেই পাবেন।
প্রশ্ন ৫: আবেদন করার জন্য বয়সের সীমা কত হতে হবে?
উত্তর: আবেদনকারী মহিলার বয়স ন্যূনতম ২৫ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
প্রশ্ন ৭: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে কী লিঙ্ক থাকা বাধ্যতামূলক?
উত্তর: আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে আধার কার্ডের লিঙ্ক (Aadhaar Seeding) এবং ডিবিটি (Direct Benefit Transfer) সচল থাকা বাধ্যতামূলক। তা না হলে টাকা ক্রেডিট হতে সমস্যা হতে পারে।
প্রশ্ন ৮: এই স্কিমের আওতায় আর কী অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে?
উত্তর: এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত মহিলারা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমস্ত রাজ্য সরকারি বাসে (State-run buses) সম্পূর্ণ বিনামূল্যে যাতায়াত বা সফর করতে পারবেন।
প্রশ্ন ৯: আবেদন ফর্ম কোথায় জমা দিতে হবে?
উত্তর: অনলাইনে আপনি রাজ্য সরকারের অফিশিয়াল পোর্টাল wb.gov.in-এ গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া অফলাইনে আপনার এলাকার ব্লক অফিস (BDO), মিউনিসিপালিটি অফিস বা ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পে ফর্ম জমা দিতে পারবেন।